Posts

Showing posts with the label দাওয়াত তাবলীগের খবর

হজরত মাওঃ ক্বারী জুবায়ার সাব (দাঃবাঃ)। বিশেষ অডিও বার্তা । COVID 19

Image

বর্তমান তাবলীগের সমস্যার সমাধান ৬ নম্বরের ভিতর। সবগুজারী বয়ানে - মুফতি...

Image

দাওয়াত তাবলীগ বর্তমান সংকট : কিছু জিজ্ঞাসা ও জবাব-১

Image
মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক (মুযাকারা মজলিস-২) * আমি আলকাউসার রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী সংখ্যায় আপনার মুন্সিগঞ্জের বয়ানটি পড়েছি। মাশাআল্লাহ পল্লবী জামে মসজিদের বয়ানের মত এটিও সহজ-সরল ও অনেক উপকারী হয়েছে। ** পুরো বয়ানটি পড়েছেন তো? * জী, পুরো বয়ানটি পড়েছি। রবিউল আউয়াল সংখ্যা ও রবিউস সানী সংখ্যা থেকে উভয় কিস্তি পড়েছি। রবিউস সানী সংখ্যা থেকে মুযাকারা মজলিসটি পড়েছি। আর জুমাদাল আখিরাহ সংখ্যা থেকে ‘সীরাতের আলোকে কাজের সংস্কার : দাবি ও স্বরূপ’ শিরোনামে মদীনা মুনাওয়ারার মজলিসটিও পড়েছি। আলহামদু লিল্লাহ, আমার কাছে অনেক কিছু স্পষ্ট হয়ে গেছে। তবে দু-একটি বিষয়ে যদি আরো জানতে পারতাম ভালো হত। ** বলুন। * একটা কথা কোনো কোনো এতাআতী ভাই বলে বেড়াচ্ছে যে, মাওলানা সা‘দ সাহেবের যেসব ভুল ধরা হচ্ছে সেগুলো তার বয়ানের ‘কাটপিস’ দ্বারা ধরা হচ্ছে, নতুবা তার বক্তব্যের আগ-পর যদি শোনা হয় তাহলে তার ভিন্ন অর্থ হয় এবং আপত্তি আর থাকে না। দলীল হিসেবে তারা পেশ করে সা‘দ সাহেবের ঐ কথাটা যে, ‘হেদায়েত আল্লাহর হাতে হলে, আল্লাহ নবী কেন পাঠিয়েছেন’। তারা বলে, এই কথার আগ-পর শুনলে নাকি আর আপত্তি থাকে না। ...

ফেনীর ৬ শতাধিক মসজিদে ফ্রি খতম তারাবির নামাজ পড়াচ্ছেন ১৩শত হাফেজ

Image
রমজান মাস উপলক্ষে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ফেনীর ও আশপাশের ৬ শতাধিক মসজিদে কোনো রকম বেতন-ভাতা ছাড়া ফ্রি খতম তারাবির নামাজ পড়াচ্ছেন ফেনীর জামেয়া রশীদিয়া মাদ্রাসার ১৩শত হাফেজ ছাত্র । শনিবার দুপুরে সরেজমিন পরিদর্শনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সাথে আলাপে এ তথ্য জানা গেছে। অত্র মাদ্রাসার শিক্ষক আবদুল হাই জানান, লস্করহাট জামেয়া রশিদীয়া মাদ্রাসা ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে ৭ একর এলাকায় অবস্থিত এ মাদ্রাসাটির মোট ছাত্র ৪,৮১৫ জন। ১১৫ জন শিক্ষক, স্টাফ সংখ্যা ১৬ জন, বাবুর্চি ২১ জন, আবাসিক ছাত্র সংখ্যা ৩,৯০০ জন। প্রতিষ্ঠাতা মুফত্তি শহীদুল্লাহ দা.বা. নিদের্শে হাফেজ ছাত্ররা তাদের প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে খতম তারাবির নামাজ পড়ান। ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালীও চাঁদপুরে অবস্থিত প্রায় ৬ শতাধিক মসজিদে প্রতি মসজিদে ২ জন করে প্রায় ১৩ শত জন হাফেজ নামাজ পড়ান নির্ভুলভাবে। মাদ্রাসার শিক্ষক আবদুল হাই আরো জানান, কেউ অর্থের বিনিময় খতম তারাবির নামাজ পড়ালে তারঁ বিরুদ্ধে মাদ্রাসা কোড অনুযায়ী শাস্তির ব্যবস্থা নেয়া হয়। নামাজে উৎসাহ দেয়ার জন্য এ ফ্রি সার্ভিস দেয়া হয়। এছাড়াও আল্লাহর কোরআন পাঠ শুনিয়ে টাকার নেওয়...

এতাতী শাকিলের সাইবারক্রাইম । শরিয়ত ও প্রচলিত আইন কি বলে ?

Image
একটি সাক্ষাৎকার  ==============  প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেনঃ মুফতি আমানুল হক সাহেব (দাঃবাঃ)  * যে জিনিস গুলো ভিডিওতে ফুটে উঠেছে *  ১.এতাতী শাকিল কে মুফতি আমানুল হক সাহেব (দাঃবাঃ) এর কঠিন হুশিয়ারি  ২.মাওলানা মোহাম্মদ হোসেন সাহেব ও রবিউল হক সাহেব এর সাথে বেয়াদবির জবাব  ৩.আব্দুল্লাহ শাকিল এর পোস্টমর্টেম তার বেয়াদবীর জবাব  ৪.বিনা অনুমতিতে কারো ফোন রেকর্ড করে তা প্রচার করা সম্পর্কে ইসলাম ও রাষ্ট্রীয় আইন কি বলে ?  ৫.✆ ফোন করে বিরক্ত করা বন্ধ না করুন, আইনানুগ বেবস্থা নিতে আমাদের বাধ্য করবেন না #মুফতি_আমানুল_হক্ব   #এতাতী_শাকিল   #একটি_সাক্ষাৎকার

ইজতেমা ইস্যুতে বৈঠক : মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষকের নিরাপত্তার ব্যাপারে মন্ত্রীর আশ্বাস

Image
আসন্ন অভিন্ন ইজতেমায় মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষকদের অংশগ্রহণ ও তাদের নিরাপত্তার ব্যাপারে উলামায়ে কেরামকে আশ্বস্ত করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। তিনি বলেছেন, ‘সরকার ইজতেমার সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ রক্ষায় বদ্ধ পরিকর। কেউ তা নষ্ট করার চেষ্টা করলে সরকার কঠোর হাতে তা দমন করবে।’ আজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি উলামায়ে কেরামকে এসব কথা বলেন। বৈঠকে অংশগ্রহণকারী মাওলানা মাযহারুল ইসলাম ইসলাম টাইমসকে এই তথ্য জানান। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বিকাল সাড়ে ৩টায় বৈঠকটি শুরু হয়ে তা বিকাল সাড়ে ৪টায় তা শেষ হয়।   এর আগে অভিন্ন ইজতেমার সিদ্ধান্ত হওয়ার পর সাদপন্থীরা তাতে মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষকদের অংশগ্রহণ নিয়ে আপত্তি তুললে এবং উলামায়ে কেরামের প্রতি বিদ্বেষ প্রকাশ শুরু করলে উলামায়ে কেরামের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি। গতকাল বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের এক বৈঠকেও এই বিষয়ে আলোচনা হয় এবং উলামায়ে কেরাম তাদের শঙ্কার কথা প্রকাশ করেন। এরই প্রেক্ষিতে উলামায়ে কেরামের একটি প্রতিনিধি দল আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে নিজেদের উদ্বেগ ও শঙ্কার কথা জানান। উত্তরে স্বরাষ্ট...

ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর নিজামুদ্দিন যাত্রা প্রসঙ্গ : যা বললেন আলেমরা

Image
আবরার আবদুল্লাহ ।। তাবলিগ জামাতের চলমান সংকট নিরসনের উদ্যোগ হিসেবে এবার এক পর্বে অভিন্ন ইজতেমা করার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। আর এতে সম্মত হয়েছে তাবলিগ জামাতের উভয়পক্ষ। গত ২৩ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত তাবলিগ জামাত বিষয়ক এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠক শেষে বলা হয়, ফেব্রুয়ারি মাসে অভিন্ন ইজতেমা হবে (পরে ১৫-১৭ ফেব্রুয়ারি তারিখ নির্ধারিত হয়) এবং মাওলানা সাদ এবারের ইজতেমায় অংশগ্রহণ করবেন না। অভিন্ন ইজতেমা ও মাওলানা সাদের অংশগ্রহণ না করা -উভয় সিদ্ধান্তই ছিলো সাদপন্থীদের দাবির বিপরীত। তারা পূর্ব থেকেই মাওলানা সাদের অংশগ্রহণে পৃথক ইজতেমার দাবি করে আসছিলো।কিন্তু সিদ্ধান্ত ভিন্ন রকম হওয়ায় এর নানান ধরনের ব্যাখ্যা ও অপপ্রচার শুরু করেছে তারা। যেমন, সিদ্ধান্তের পরপর এক ঘরোয়া বৈঠকে সাদপন্থী নেতা খান শাহাবুদ্দিন নাসিমকে ‘এবারের সিদ্ধান্তকে’ হুদাইবিয়ার সন্ধি ও মক্কা বিজয়ের সঙ্গে তুলনা করতে দেখা যায়। এরপর তারা বলতে শুরু করেন, এবারের ইজতোম নিজামুদ্দিন থেকে আগত কাফেলার অধীনেই পরিচালিত হবে, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী নিজামুদ্দিনের মুরব্বিদের দাওয়াত দিতে নিজেই সেখানে যাবেন। ইত্যাদি।...

ওয়াসিফের জংগি এতাতিদের অপপ্রচারের জবাব। দ্রুত বাংলা ভাষাভাষির কাছে শেয়ার করি

Image
কাকরাইল মসজিদ , ঢাকা। ইংরেজি: ১৫ ডিসেম্বর , ২০১৮ হিজরি: ৭ রবিউস সানী , ১৪৪০ “ মূল নয় , ভুল ধারার জামাত-এর মিথ্যা ঘোষণাপত্রের প্রতিবাদ ” সর্ব সাধারণের সদয় অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে , বাংলাদেশের সহজ-সরল , নিরীহ ধর্মপ্রাণ সাধারণ মুসলমান সম্প্রদায়কে তাবলীগের নামে বিভিন্ন ভাবে বিভ্রান্ত করে কোরআন-সুন্নাহ , ইসলামী আখলাক ও আকীদা পরিপন্থী মতবাদ প্রতিষ্ঠায় শান্তি প্রিয় দেশবাসীর মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি এবং দেশের শান্তি-শৃংখলা বিনষ্টে মুষ্টিমেয় ব্যক্তিবর্গ তৎপর আছে। যারা কক্সবাজার , নাটোর , ব্রাম্মনবাড়িয়া , চাঁদপুর , যশোহর সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মসজিদের মধ্যে ওলামায়ে কেরামগণকে লাঞ্ছিত ও রক্তাক্ত করেছে। অতঃপর ০১-১২-২০১৮ তারিখে রক্তাক্ত টঙ্গি বিশ ^ ইস্তেমা ময়দানে খুন , লুন্ঠন , সন্ত্রাস। তারই ধারাবাহিকতায় বিভ্রান্তকারী জামাতের অন্যতম মাওলানা মোশাররফ হোসেন বিগত ০৫-১১-২০১৮ তারিখে “ ঘোষণাপত্র/ সরকারী অফিস ” স্মারকে এক মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর পত্র প্রচার করেন। মুসলামান হিসাবে সে বিষয়ে সচেতন থাকা ও দেশবাসীকে সতর্ক করা প্রত্যেকের একান্ত ঈমানী দায়িত্ব ও কর্তব্য। বিশেষতঃ দেশ ও দুনিয়ার ...